আমাদের সম্পর্কে

بِسمِ اللَّهِ الرَّحمٰنِ الرَّحيمِ

স্থাপনকাল

০১-০৬-২০১৩ খ্রি.
নতুনভাবে যাত্রা: ২রা জুন ২০১৪ ইং

অবস্থান

পরিচয়

ইসলামের আলো বিডি ইসলামের পরিচিতি ও রাসূল (সঃ) প্রদর্শিত জীবন বীধান তুলে ধরার জন্য বাংলা ভাষায় নিবেদিত ওয়েবসাইট-গ্রুপ।
 

প্রধান উদ্দেশ্য

ইসলামের আলো বিডি ওয়েবসাইট গ্রুপের উদ্দেশ্য হচ্ছে, বাংলা ভাষায় অমুসলিমদের কাছে ইসলাম-পরিচিতি ও ইসলামের সৌন্দর্য বর্ণনা; ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত ভুল ধারণা নিরসন ও সংশয় দূরীকরণ এবং মুসলিমদেরকে তাদের দ্বীনের অত্যাবশ্যকীয় আকীদা ও ইবাদত সংক্রান্ত বিষয়াদির সঠিক জ্ঞান প্রদান।
 

উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমসমূহ

() বিভিন্ন ভাষায় ‘ইলমী বা জ্ঞানমূলক উপযুক্ত উপাদানসমূহ বাছাই ও প্রস্তুত করা।
() মানবজাতির নিকট পৃথিবীর সকল জীবন্ত ভাষায় আল্লাহ্‌র পথের দাওয়াহ ও ইসলামের বাণী পৌঁছানোর জন্য ‘ইন্টারনেট’ প্রযুক্তিকে সর্বোত্তম পদ্ধতিতে কাজে লাগানো।
() ইসলামকে তার স্বচ্ছরূপে তুলে ধরা এবং ইসলামের শত্রুরা ইসলামের যে বিকৃতরূপ উপস্থাপন করে থাকে তা পরিশুদ্ধ করা।
() ঐক্য ও সমন্বয় সাধন এবং বিভিন্ন ভাষায় সম্পন্ন পূর্বতন কাজসমূহের মূল্যায়ন; যাতে করে ‘ইলমী বা জ্ঞানগত, ভাষাগত ও শরীয়তসম্মত সম্পাদনা ও অনুবাদ কার্যক্রম ও প্রচেষ্টার দ্বিত্ব ও পুনরাবৃত্তি রোধ করা যায় এবং সেগুলোর ত্রুটি ও শূন্যতা নির্ণয়পূর্বক তা দূরীকরণ ও পূরণ করা সম্ভব হয়।
() বিভিন্ন ‘ইলমী ও দাওয়াতী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত ‘ইলমী ও দাওয়াতী গ্রন্থ-পুস্তক, অডিও ও ভিডিওসমূহ পুনর্মূল্যায়ন এবং সেগুলো থেকে উপযুক্ত উপাদানগুলো ইন্টারনেট প্রযুক্তির মাধ্যমে পুনরায় প্রচার, প্রসার এবং আল্লাহ্‌র ইচ্ছায় ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
() শিরক এবং বিদাআত নির্মূল করা।
() ইসলামের ব্যপারে সমস্ত ভুল ধারনা দূর করা।
() ঈমান ও আমলের মাধ্যমে মানুষকে একটি ‘সুন্দর জীবন’ গড়তে সাহায্য করা
() ইসলামিক ধর্মচিন্তা ও রীতিনীতি সম্পর্কে মুসলমান ভাই বোনকে অবগত করা, যা সন্ত্রাসবাদ, চরমপন্থা, ভুল ধারনা ও বিদ্বেষের বিরুদ্ধে রক্ষাপ্রাচীর।
(১০) ইসলামের সত্যতা তুলে ধরা যাতে মানুষ এর স্বরূপ জানতে পারে, সেই রূপ নয় যা অজ্ঞ লোকেরা উপস্থাপন করার চেষ্টা করে।
 

••••►  কেন এই  Website….

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার, আমরা তাঁর প্রশংসা করি এবং আমরা তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তওবা করি। তাঁরই কাছে আমাদের নফসের অমঙ্গল এবং মন্দ আমল হতে আশ্রয় চাচ্ছি।আল্লাহ তাআলা যাকে হিদায়েত দান করেন কেউ তাকে পথ ভ্রষ্ট করতে পারে না আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে কেউ হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা তাঁর শেষ এবং চুড়ান্ত রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবার এবং তাঁর অনুসারীদের প্রতি শান্তি ও রহমত বষর্ণ করুন। আমিন!

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেনঃ
وَمَن أَحسَنُ قَولًا مِمَّن دَعا إِلَى اللَّهِ وَعَمِلَ صٰلِحًا وَقالَ إِنَّنى مِنَ المُسلِمينَ
যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎ কর্ম করে এবং বলে, আমি একজন আজ্ঞাবহ, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?” (সূরা হা-মীম সেজদাহ : ৩৩) 
কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা” (সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪)
আমাদের এই তথাকথিত ইসলামভূমিতে আমরা ইসলামের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা ও আচার-আচরণ শিখে বড় হই – যেমনটা পেশাজীবী মৌলভীরা এদেশে আমাদের শিক্ষা দিয়ে থাকেন, আর সে সব নিয়েই সন্তুষ্ট থাকি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে,ইসলাম সম্বন্ধে আমাদের জ্ঞানের প্রায় সবটুকুই ভুলে ভরা বা ত্রুটিযুক্ত। এই ত্রুটিযুক্ত আচার-আচরণ বা বিশ্বাসের অবস্থা এতই করুণ যে, দৈব কোন উপায়ে যদি সপ্তম শতাব্দীর আরবভূমি থেকে প্রথম প্রজন্মের কোন মুসলিমকে আমাদের দশা দেখবার জন্য নিয়ে আসা যেত – তবে তিনি নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করতেন যে, “এসব লোকজন আসলে কোন দ্বীনের অনুসারী?” এ অবস্থা অনুধাবন করলে আপনি ভেবে পাবেন না যে, আপনার কি করা উচিত বা কোথায় যাওয়া উচিত! এটা তখন একটা আভ্যন্তরীণ ও ব্যক্তিগত সংকটে রূপ নেবে।আপনি হয়ত বই কিনতে শুরু করবেন। ‘ইসলাম’ শব্দটি মলাটে অথবা বিষয়বস্তুতে রয়েছে এমন যে কোন বই। এই যাত্রাপথটা হতে পারে সুদীর্ঘ ও আঁকাবাঁকা -যার মাঝে অনেক যাত্রাবিরতির স্থানও থাকবে। দ্বীনের সঠিক জ্ঞানের অন্বেষণে আপনি হয়ত অনেক দরজায় বা খিড়কিতে করাঘাত করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আপনি অনুধাবন করবেন যে, এসব গোষ্ঠী বা দল আপনার কাছে যা উপস্থাপন করে থাকে, তা আসলে বড়জোর জ্ঞানের একটা খন্ডিত চিত্র – আর আপনার কপাল মন্দ হলে তা হয়তো বা নব-উদ্ভাবিত কোন বিচ্যুতি, বিকৃতি বা বিদ’আতও হতে পারে। এছাড়া আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন,এসব আয়োজনে ‘ভিতরের’ ও ‘বাইরের’ লোকের বৈষম্য অথবা ‘আমাদের লোক’ ও ‘বাইরের লোক’ এই দুইয়ের জন্য নির্ধারিত উষ্ণতার তারতম্য কখনোই ভুলতে পারবেন না। ‘তাদের’ কাছ থেকে শিখতে হলে আপনাকে ‘তাদের’ একজন হতে হবে এবং সেক্ষেত্রে, সেই শিক্ষা হবে অনেকটা ‘তাদের’ চোখ দিয়ে পৃথিবী দেখার মত ব্যাপার। এসব দলীয় বা গোষ্ঠীগত আয়োজনে, জ্ঞানশিক্ষার দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত নয় -বরং বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সেই দ্বারে কেবল নিজ গোষ্ঠী বা দলের সদস্যদেরই স্বাগত জানানো হয়ে থাকে!
অতএব খাঁটি ও নির্ভুল সূত্র থেকে লব্ধ দ্বীনী জ্ঞানের প্রচার ও প্রসারের গুরুত্ব সহজেই অনুমেয়। আল্লাহ্ যেন কেবল তাঁর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে, তাঁর দ্বীনের কাজে লাগার আমাদের এই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবার তৌফিক দেন এবং আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন।

একটি সতর্কতা 

আমাদের সমাজে বহুল পরিচিত অনেক বই ই আমরা  এখানে সংযোজন থেকে বিরত থেকেছি। কারন এগুলোর বেশিরভাগই কোরআন সুন্নাহ থেকে দুরে এবং শিরক ও বিদাতে পুর্ন। কোন বই সহজবোধ্য, সহজলভ্য বা বহুল প্রচারিত হলেও তা সহীহ না ও হতে পারে। তাই প্রাথমিক ভাবে কোন বই গ্রহনের নিশ্চিত হয়ে নিন তা শিরক/কুফর/বিদাত মুক্ত কিনা এবং আগে দেখে নিন কোরআন ও সহীহ হাদীসের সঠিক রেফারেন্স আছে কিনা।
এখানে আমরা কুরআন ও সহীহ হাদীসের আলোকে রচিত বইসমুহ এবং কুরআন সুন্নাহর বিশুদ্ধ বানী প্রচারকারী বিখ্যাত আলেমে দ্বীনগনের (যারা বিশেষ করে আরবী ভাষা থেকে সরসরি ঞ্জান আহরনে সহ্মম) রচিত বইসমুহ সন্নিবেশের চেষ্টা করেছি। কোন বিষয়ে বুঝতে সমস্যা বা সন্দেহ হলে দয়া করে আলেমগনের সাহায্য নেবেন।
Admin.